কীভাবে কাজ করে
Train Location Tracking বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সেবা নয়। ট্রেনের অবস্থান আসে ট্রেনে থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে: কেউ “আমি এই ট্রেনে আছি” চাপলে তার ফোনের GPS থেকে ট্রেনের অবস্থান হিসাব হয়।
অবস্থান কতটা ঠিক?
একাধিক যাত্রী শেয়ার করলে সবার লোকেশন মিলিয়ে একটি অবস্থান ধরা হয়। রেললাইন থেকে দূরের বা অসম্ভব গতির লোকেশন বাদ পড়ে। কেউ শেয়ার না করলে অবস্থান সময়সূচি থেকে আনুমানিক দেখানো হয় এবং তা স্পষ্ট করে লেখা থাকে।
দেরি আর পৌঁছানোর সময়
ট্রেন এখন যেখানে, সময়সূচি অনুযায়ী সেখানে কখন থাকার কথা ছিল, তার পার্থক্যই দেরি। সামনের স্টেশনে পৌঁছানোর সময় = নির্ধারিত সময় + বর্তমান দেরি।
সময়সূচি
সারা দেশের যেসব ট্রেনের টিকিট ই-টিকিট সাইটে বিক্রি হয়, তাদের সময়, থামার স্টেশন আর সাপ্তাহিক ছুটি সেখানকার ট্রেন তথ্য পাতা থেকে নেওয়া (৭ নভেম্বর ২০২৬)। ই-টিকিটে শুধু টিকিট বিক্রি হয় এমন স্টেশনগুলো থাকে, তাই ছোট কিছু স্টেশন এখানে নেই। ই-টিকিট পাতায় কয়েকটি স্টেশনের সময় ভুল (যেমন আগের স্টেশনের চেয়েও আগের সময়); সেখানে সময় দূরত্ব অনুযায়ী আনুমানিক ধরা, ≈ চিহ্ন দিয়ে।
ঢাকা মেইল ও চট্টগ্রাম মেইল ই-টিকিটে নেই, তাই এদের শুরু-শেষের সময় রেলওয়ের সময়সূচি নং ৫৪ থেকে আর মাঝের স্টেশনের সময় দূরত্ব অনুযায়ী আনুমানিক (≈ চিহ্ন দেওয়া)। ভুল চোখে পড়লে আমাদের ফেসবুক পেজে জানান।
মানচিত্রের তথ্য
রেললাইন আর স্টেশনের অবস্থান © OpenStreetMap contributors, ODbL লাইসেন্সে। মানচিত্রে নেই এমন কয়েকটি ছোট স্টেশনের অবস্থান সময়সূচি দেখে আনুমানিক বসানো।